1. news.polytechnicbarta@gmail.com : admin :
  2. contact.mdrakib@gmail.com : Rakib Howlader : Rakib Howlader
  3. tanjid.fmphs@gmail.com : Tanjid : Tanjid
সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
৪ দফা দাবীতে বগুড়ায় পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন দেশের নতুন ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ৫০% ডিপ্লোমা পাসদের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ার সুযোগ পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ঘরে ফিরতে বললেন কারিগরি সচিব ডিপ্লোমা পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে পরীক্ষার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত রাজশাহীতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ৪ দফা দাবি আদায়ে মানববন্ধন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ কারিগরি ডিপ্লোমাধারীদের উচ্চশিক্ষা জরুরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের পরীক্ষা-২০২১ এর সময়সূচি প্রকাশিত

সার্কিট ব্রেকার কি? এবং কিভাবে কাজ করে?

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২৬৬ বার পঠিত

সার্কিট ব্রেকার কি?

সার্কিট ব্রেকার হচ্ছে নিরাপত্তা প্রদানকারী অর্ধ স্বয়ংক্রিয় (semi automatic) যন্ত্র বিশেষ। এটি এমন একটি ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা অপর কোন ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রকে নিরাপদ রাখে। কোন কারণে এসি লাইনে যদি অতিরিক্ত পরিমান বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় তাহলে দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। যন্ত্রপাতি পুড়ে যাওয়া থেকে শুরু করে আগুন লাগাও বিচিত্র নয়। যেমন-

কোন কারণে যদি এসি লাইনে শর্ট সার্কিট (Short Circuit) ঘটে,
মাত্রাতিরিক্ত লোড লাগানো (ওভার লোড), কিংবা
যদি কোন কারণে আপনার বাসার লাইন ভোল্টেজ বেড়ে যায় (ফলে কারেন্টের প্রবাহ বৃদ্ধি হয়)।
এসমস্ত ক্ষেত্রে সার্কিট ব্রেকার নিজে থেকেই ট্রিপ (Trip) করে বা বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে মূল্যবান যন্ত্রপাতি কে রক্ষা করে।

কিভাবে কাজ করেঃ

আমরা আগেই জেনেছি যে, কোন কারণে যদি ওভারলোড হয় বা শর্ট সার্কিট ঘটে তাহলে সার্কিট ব্রেকার স্বয়ংক্রিয় ভাবে বন্ধ হয় যায়। কিন্তু কিভবে এই কাজটি ঘটে তা বেশ মজার। আগ্রহী পাঠকের জন্য সে ব্যাখ্যাটিই তুলে ধরছি। তবে বিভিন্ন ধরণের সার্কিট ব্রেকারে এই পদ্ধতিটিও ভিন্ন।

ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক টাইপ সার্কিট ব্রেকারের ক্ষেত্রেঃ

সম্পূর্ণ ব্যবস্থাটি এমন ভাবে সাজানো থাকে যার ফলে পুশ সুইচ কে চেপে অন করা হলে তা নির্দিষ্ট স্থানে আটকে যায় অপরদিকে সুইচের ২ প্রান্ত কে পরষ্পর সাথে সংযুক্ত করে দেয়। চিত্রে কমলা রঙ দ্বারা সুইচের স্পর্শক প্রান্ত (Contact point) দেখানো হয়েছে।

অপরদিকে, নির্দিষ্ঠ স্থানে আটকে রাখা বা “লক” করবার জন্য ব্যবহৃত আয়রন বোল্ট টির ঠিক পেছনেই একটি ইলেকট্রো ম্যাগনেট রাখা হয়।

এটি প্রকৃতপক্ষে সলিনয়েড (Solenoid) বা তারের কুণ্ডলী যার মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হলে এটি অস্থায়ী চুম্বকে পরিণত হয়।

সম্পূর্ন ব্যবস্থাটি এমন ভাবে করাহয় যেন-
স্প্রিং লোডেড পুশ সুইচ কে অন করলে লোডে পাওয়ার পাবে, একই সাথে
সলিনয়েডের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে এবং একে অল্প পরিমানে চুম্বকায়িত করবে।

এই ব্যবস্থার ফলে নির্দিষ্ঠ সীমার অতিরিক্ত লোড লাগানো হলে উক্ত সলিনয়েডের মধ্যদিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহের পরিমাণ বেড়ে যাবে। ফলে সলিনয়েড টি নির্দিষ্ঠ সীমার অতিরিক্ত পরিমাণ চুম্বকায়িত হয়ে স্প্রিং বোল্ট কে নিজের দিকে টেনে নিয়ে পুশ সুইচ কে মুক্ত করে দিবে।

পুশ সুইচ টি মুক্ত হয়ে তার আভ্যন্তরীন স্প্রিং এর চাপে নিজেকে উপর দিকে ঠেলে উঠিয়ে দেবে যার ফলে স্পর্শক প্রান্তদ্বয় মুক্ত হয়ে যাবে যা লোডের থেকে পাওয়ারকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

ওভার লোড অবস্থায়ঃ

ওভার লোড হলে কিংবা শর্ট সার্কিট ঘটলে এই প্রক্রিয়ায় এই ধরণের ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক সার্কিট ব্রেকার স্বয়ংক্রিয় ভাবে লোডের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে সমূহ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। এখানে উল্লেখ্য যে প্রায় সব ধরণের সার্কিট ব্রেকারই সেমি অটোমেটিক বা অর্ধ স্বয়ংক্রিয়। অর্থাৎ, ওভার লোডের কারণে এটি বন্ধ হলে একে ম্যানুয়ালি অন করতে হয়।

ভালো লাগলে শেয়ার করবেন বন্ধুরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © polytechnicbarta.com
Theme Customized BY LatestNews