1. news.polytechnicbarta@gmail.com : admin :
  2. contact.mdrakib@gmail.com : Rakib Howlader : Rakib Howlader
  3. tanjid.fmphs@gmail.com : Tanjid : Tanjid
সবাই আমার সঙ্গে আছেন: মুসকান - পলিটেকনিক বার্তা
বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মেট্রোরেলের সর্বনিম্ন ভাড়া ২০ টাকা, সর্বোচ্চ ৯০ ব্যক্তি উদ্যোগে অর্ধ শত পরিবারে তৌহিদের ঈদ উপহার বিতরণ ডিপ্লোমা শেষ করা শিক্ষার্থীরা সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন: শিক্ষামন্ত্রী মুহাম্মদ (সা.) এর পোশাক দেখতে ইস্তাম্বুলে হাজারো মানুষের ঢল জঙ্গিবাদে জড়ানোয় পলিটেকনিক পড়ুয়া ছাত্র গ্রেপ্তার কর্ম উপযোগী শিক্ষার জন্য কারিগরি শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হবে: দীপু মনি বাংলাদেশ থেকে এ বছর হজে যেতে পারবেন ৫৭ হাজার ৮৫৬ জন উচ্চশিক্ষা গ্রহণে বিনামূল্যে শেখার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে রোজা রেখে যেসব কাজ করবেন না কারিগরি শিক্ষায় অগ্রগতির প্রশংসা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের, দাবি মন্ত্রণালয়ের

সবাই আমার সঙ্গে আছেন: মুসকান

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৬৮ বার পঠিত

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকে সম্প্রতি সরকারি কলেজে নির্দিষ্ট পোশাক পরার নিয়ম জারি করা হয়েছে। তবে এর প্রতিবাদ জানিয়ে হিজাব পরার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মুসলমান ছাত্রীরা।

এদিকে, সেখানকার একটি সরকারি কলেজে হিজাব পরাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্কে শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় আগামী তিন দিনের জন্য রাজ্যের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) মুখ্যমন্ত্রী বাসাভারাজ এস বোম্মাই এক টুইট বার্তায় এই ঘোষণা দেন।

হিজাব বির্তকের মধ্যে ভয় উপেক্ষা করে হিজাব পরে ওই রাজ্যের একটি কলেজে উপস্থিত হন এক ছাত্রী। প্রতিষ্ঠানটিতে প্রবেশ করার সময় বেশকিছু তরুণ তাকে ভয়-ভীতি দেখানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তিনি একা থাকা স্বত্ত্বেও সেই ছাত্রদের সামনে প্রতিবাদ করে। পরবর্তীতে শিক্ষকরা এসে তাকে সরিয়ে দেয়।

ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, ওই ছাত্রীর নাম মুসকান খান। তিনি ওই কলেজের বিকম দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। সংবাদমাধ্যমটিকে তিনি বলে এক ওই গেরুয়া কাপড়ধারীদের মুখোমুখি হওয়ার বিষয়ে ‘চিন্তিত নন’ এবং তিনি হিজাব পরার অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবেন। .

এনডিটিভিকে সাক্ষাৎকারে ওই ছাত্রী বলেন, আমি অ্যাসাইনমেন্টের কাজে কলেজে যাচ্ছিলাম। কিন্তু বোরকা পরে থাকায় আমাকে কলেজে প্রবেশ করতে দিচ্ছিল না। তারা জয় শ্রীরাম বলে স্লোগান দিচ্ছিল। আমি একটুও ভয় পাইনি। আমিও আল্লাহু আকবার বলে স্লোগান দেই। পরে শিক্ষকরা এসে আমাকে সরিয়ে দেন।

তিনি বলেন, ওই পুরুষ দলের ১০ শতাংশকে কলেজের বলে চিনতে পেরেছেন, বাকিরা বাইরের লোক বলে মনে হয়েছিল।

এ ঘটনার পর চিন্তিত এবং নিজেকে অনিরাপদ মনে করছেন কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি নিজেকে নিরাপদ মনে করছি। কারণ এ ঘটনার পর পুলিশসহ অনেকের সঙ্গে আমরা কথা হয়েছে। তারা এ ঘটনা নিয়ে চিন্তা না করতে বলেছেন এবং সবাই আমার সঙ্গে আছেন। এ আশ্বাস আমি পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের অগ্রাধিকার আমাদের শিক্ষা। তারা আমাদের শিক্ষাকে নষ্ট করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © polytechnicbarta.com
Theme Customized BY LatestNews