1. news.polytechnicbarta@gmail.com : admin :
  2. contact.mdrakib@gmail.com : Rakib Howlader : Rakib Howlader
  3. tanjid.fmphs@gmail.com : Tanjid : Tanjid
আমি ক্ষুধার্ত আমার মায়ের বেতন চাই! - পলিটেকনিক বার্তা
বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মেট্রোরেলের সর্বনিম্ন ভাড়া ২০ টাকা, সর্বোচ্চ ৯০ ব্যক্তি উদ্যোগে অর্ধ শত পরিবারে তৌহিদের ঈদ উপহার বিতরণ ডিপ্লোমা শেষ করা শিক্ষার্থীরা সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন: শিক্ষামন্ত্রী মুহাম্মদ (সা.) এর পোশাক দেখতে ইস্তাম্বুলে হাজারো মানুষের ঢল জঙ্গিবাদে জড়ানোয় পলিটেকনিক পড়ুয়া ছাত্র গ্রেপ্তার কর্ম উপযোগী শিক্ষার জন্য কারিগরি শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হবে: দীপু মনি বাংলাদেশ থেকে এ বছর হজে যেতে পারবেন ৫৭ হাজার ৮৫৬ জন উচ্চশিক্ষা গ্রহণে বিনামূল্যে শেখার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে রোজা রেখে যেসব কাজ করবেন না কারিগরি শিক্ষায় অগ্রগতির প্রশংসা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের, দাবি মন্ত্রণালয়ের

আমি ক্ষুধার্ত আমার মায়ের বেতন চাই!

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৫১১ বার পঠিত

৭৭৭ শিক্ষকের চাকরি রাজস্বখাতে স্থানান্তর ও ১৮ মাসের বকেয়া বেতন ভাতাদির দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পলিটেকনিক শিক্ষকদের মানববন্ধন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে স্মারকলিপি”

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরাধীন সরকারী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সমূহে কর্মরত ” সমাপ্ত স্টেপ প্রকল্প থেকে রাজস্বে প্রক্রিয়াধীন” ৭৭৭ জন শিক্ষকবৃন্দের পক্ষে জানাই স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তীর শুভেচ্ছা ও সশ্রদ্ধ সালাম।
কারিগরি শিক্ষাকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে ২০১২ সালে ও ২০১৪ সালে সরকারী ৪৯ টি পলিটেকনিকে ইনস্ট্রাক্টর ও জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে সর্বোমোট ১০১৫ জন শিক্ষককে জাতীয় পত্রিকায় উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শুন্যপদে, সরকারী চাকুরীর সম্পূর্ন বিধিমালা অনুসরণপূর্বক STEP প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান করা হয় শিক্ষামন্ত্রনালয়ের কারিগরি শিক্ষা বিভাগ থেকে। যার ফলশ্রতিতে ২০০৯ সালে যেখানে ১% ছিলো কারিগরি শিক্ষা, সেখানে বর্তমানে ১৭% এ উন্নীত হয়েছে। সরকারের ভিশন ২০৩০ সালে ৩০% এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৫০% বাস্তবায়নের জন্য এইসব অভিজ্ঞ শিক্ষকদের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য হওয়ায়, প্রকল্পটি সমাপ্তির পূর্বেই জনবল সমুহকে রাজস্বকরণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ঠ দফতরের প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ন কার্যাবলী নিম্নলিখিত উল্লেখিতঃ

(১), STEP ( স্টেপ) প্রকল্পে নিয়োজিত শিক্ষকবৃন্দকে রাজস্বখাতে স্থানান্তরের নিমিত্তে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে স্মারক নম্বর ঃ ৩৭.০০.০০০.০৭৬.০৫.০৩৭.১৬-৩১৭ এর সারসংক্ষেপের আলোকে, ২২/০৫/২০১৯ খ্রিঃ তারিখে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সদয় অনুমোদন প্রদান করেন।

(২), মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের প্রেক্ষিতে এবং জনবলের অনস্বীকার্যতা বিবেচনায় প্রকল্প সমাপ্তির দিন থেকেই ৩০/০৬/২০১৯ খ্রিঃ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক স্মারক নংঃ ৫৭.০০.০০০০.০৫১.১৫.০০৩.১৯-৪২৫(ক), এর আলোকে স্টে অর্ডার প্রদান করা হয়।

(৩), শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে স্মারক নংঃ ৫৭.০০.০০০.০৫১.১৫.০০৩.১৯-৪২৫(ক) এর আলোকে, ০২/০৭/২০১৯ খ্রিঃ তারিখে, সমাপ্ত প্রকল্পের শিক্ষকদের চাকুরী অব্যাহত রাখার নিমিত্তে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পত্র প্রেরণ করেন।

(৪), কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে স্মারক নংঃ ৩৭.০৩.০০০.০০১.১৮.০৮.৯০.১৬/৪৭০(১৪০) এর আলোকে, ২৫/০৯/২০১৯ খ্রিঃ তারিখে, STEP সমাপ্ত প্রকল্পের শিক্ষকদেরকে, “স্টেপ থেকে রাজস্ব খাতে আসার প্রক্রিয়াধীন” নামে অভিহিত করণ এবং নিয়মিত শিক্ষকদের অনুরূপ সকল কার্যক্রমে সম্পৃক্তকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে পত্রের মাধ্যমে অবহিত করা হয়।

(৫), কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে স্মারক নংঃ ৫৭.০০.০০০০.০৫১.১৫.০০৩.২০১৯-৬৬৭ এর আলোকে, ০৭/১১/২০১৯ খ্রিঃ তারিখে, মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয়, মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয় কে শিক্ষকদের চাকুরী অব্যাহত রাখার নিমিত্তে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পত্র প্রেরণ করেন।

(৬), অর্থ মন্ত্রণালয় হতে, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়, যথাক্রমে ১৮/০৬/২০২০ এবং ২০/০৮/২০২০ খ্রিঃ তারিখে।

(৭), প্রকল্প থেকে রাজস্বকরণের ক্ষেত্রে মামলার মাধ্যমে সুযোগ রহিত করার জন্য মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক ৪৬০/১৭ এর রায় প্রকাশিত হয় ২০১৯ এর ডিসেম্বরে। যেহেতু মামলার রায় প্রকাশিত হওয়ার পূর্বেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাজস্বকরণের অনুমোদন দিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ঠ দফতর রাজস্বকরণের প্রক্রিয়ার সবরকম ব্যবস্থাপনা গ্রহন করেছে তদুপরি ” স্টেপ থেকে রাজস্বে প্রক্রিয়াধীন শিক্ষকবৃন্দের” রাজস্বকরণের যে কোন প্রকার জটিলতা নিরসনে, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়, আপীল বিভাগের পর্যবেক্ষন ও মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার আলোকে, বিস্তারিত বিষয়াদি উল্লেখপূর্বক ১৮ই মে ২০২১ খ্রিঃ তারিখে, উক্ত জনবলকে রাজস্বকরণের নিমিত্তে নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা প্রয়োগে আইনি কোন প্রতিবন্ধকতা নাই মর্মে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বরাবর ডিও প্রদান করেন।

(৮), ৪৬০/১৭ রায় প্রকাশিত হবার পরও, শিক্ষামন্ত্রনালয়ের, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরাধীন SESIP প্রকল্পের জনবল এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয়াধীন প্রকল্পের জনবল, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের আন্তরিকতায় জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত হয়েছে, অথচ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের আড়াই বছর পরেও সমাপ্ত স্টেপ থেকে রাজস্বে প্রক্রিয়াধীন জনবল, দীর্ঘ ১৯ মাস বেতন বিহীন অবস্থায় সকল দ্বায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।

সমগ্র সরকারী চাকুরী জীবনের ১/৩, প্রায় ১০ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা প্রাপ্ত, প্রাতিষ্ঠানিক ডিপার্টমেন্ট প্রধান সহ প্রায় সকল লেভেলের কাজের সহিত সম্পৃক্ত, দেশে ও বিদেশে
(সিংগাপুর) একাধিক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত, কারিগরী শিক্ষাবোর্ডের প্রশ্ন প্রণয়ন, মুল্যায়ন, মডারেশন, সিলেবাস প্রণয়ণ, কারিকুলাম প্রণয়ন সহ একাধিক বিষয়ে অভিজ্ঞতা প্রাপ্ত এসব শিক্ষকদের জীবন এখন চরম হতাশায় নিমজ্জিত।
অধিদফতর ও মন্ত্রনালয়ের একাধিক উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ আশ্বাস দেন এবং ধৈর্য্য ধারণ করতে বলেন, কিন্তু সমস্যা নিরসনে তেমন কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয় না। বর্তমান কর্মরত ৭৭৭ জন শিক্ষকদের অধিকাংশই মানষিক ও শারিরীক অসুস্থতা নিয়ে পরিবার পরিজন সহ অত্যন্ত মানবেতর জীবন অতিবাহিত করছে। ১৯ মাস বেতন বন্ধ থাকায়, আমাদের কয়েকজন সহকর্মী টাকার অভাবে সঠিক সময়ে চিকিৎসার খরচ মেটাতে না পেরে মারা গেছেন। বিগত বেতনগুলো সঠিক সময়ে প্রাপ্ত হলে, হয়ত অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতিগুলো এড়ানো যেতো।
আপনার সুহৃদয় হস্তক্ষেপ ব্যতীত সহজে হয়তো এই সমস্যা সমাধান হবে না। ৭৭৭ জন শিক্ষকবৃন্দের পক্ষে, স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীতে আপনার প্রতি বিনীত অনুরোধ, আমাদের দীর্ঘদিনের অবর্ণনীয় দুর্ভোগের অবসানের জন্য দ্রুত বেতন ভাতাদি প্রদান সহ আপনার অনুশাসন বাস্তবায়নের জন্য আপনার একান্ত সহযোগীতা কামনা করছি।

বিনীত নিবেদক

সরকারী ৪৯ পলিটেকনিকে কর্মরত “স্টেপ প্রকল্প থেকে রাজস্বে প্রক্রিয়াধীন” ৭৭৭ জন শিক্ষকবৃন্দ।

 

প্রতিনিধিঃ আবু বকর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © polytechnicbarta.com
Theme Customized BY LatestNews