1. news.polytechnicbarta@gmail.com : admin :
  2. contact.mdrakib@gmail.com : Rakib Howlader : Rakib Howlader
  3. tanjid.fmphs@gmail.com : Tanjid : Tanjid
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন

কোভিড-১৯ সংকটের মাধ্যেও ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের অসাধারন সব উদ্যোগ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম বুধবার, ২৬ মে, ২০২১
  • ৭১১৭ বার পঠিত

দেশের সরকারি/বেসরকারি পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটে সমূহের মধ্যে ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট একটি পরিচিতি নাম।  বর্তমানে খুলনা শহরে অবস্থিত এই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে দেশের প্রায় ৪৪ টি জেলা থেকে আগত ৩০০০ শিক্ষার্থী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্যান্য প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করছে। উন্নত শিক্ষা পরিবেশ, নিয়মশৃঙ্খলা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নিত্য নতুন আধুনিক সুযোগ সুবিধা যুক্ত করার বিষয়ে ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট এর  সুখ্যাতি রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বরাবর বাংলাদেশ কারিগরি বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করে থাকে। সম্প্রতি প্রকাশিত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর ৮ম পর্ব সমাপনী পরীক্ষায় ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের সিভিল বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ রাকিব সিজিপিএ ৪.০০ এর মধ্যে ৪.০০ অর্জন করেছে, এবং মোট ১১ জন্য শিক্ষার্থী বোর্ডে সেরা ২০ এর মধ্যে রয়েছে। উল্লেখ্য যে, ২০২১ সালেই বাংলাদেশ কারিগরি বোর্ডের ইতিহাসে প্রথম ৫ জন শিক্ষার্থী ৫টি সরকারি/বেসরকারি পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট থেকে সিজিপিএ ৪ এ মধ্যে ৪ পেয়েছে। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট কর্তৃপক্ষ বলেন, যদি কোন শিক্ষার্থী অত্র ইনষ্টিটিউটের দিকনির্দেশনা অনুসরন করে তাহলে আমরা শতভাগ তার ক্যারিয়ারে সফল হওয়ার নিশ্চয়তা দিতে পারি, কেননা আমরা বর্তমান শ্রমবাজারের চাহিদা অনুসারে প্রতিনিয়ত প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক মানে আপগ্রেড করে আসছি।

২০২০ সালের মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষিত হওয়ার সাথে সাথেই ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন শিক্ষা ও অন্যান্য বিষয়ে সর্বাত্নক সহায়তার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতি সংকটময় হয়ে পড়লে অনলাইন শিক্ষার পূর্নাঙ্গ ব্যবস্থা চালু করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট শিক্ষার্থীদের জন্য যেসকল পদক্ষেপ গ্রহন করেঃ

পূর্নাঙ্গ অনলাইন LMS বা লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম

মহামারীর শুরুর দিকে সবাই Zoom বা Google Meet সহ নানাবিধ অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করলেও একটি পূর্নাঙ্গ LMS ছাড়া অনলাইন শিক্ষা পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব না। এর সাথে সাথে শিক্ষক কর্মকর্তা সকলের অনলাইন ক্লাস নেয়া, অনলাইন লার্নিং পোর্টাল ব্যবহার করার দক্ষতা থাকা জরুরী। ২০২০ সালে বন্ধ ঘোষনার সাথে সাথে ম্যানগ্রোভ এখনকার সকল শিক্ষকদের বিষায়িত প্রশিক্ষন দিয়ে অনলাইন শিক্ষার জন্য দক্ষ করে তোলে। ফলে শিক্ষকরা শতভাগ বিষয় ভিত্তিক স্লাইড ও অন্যান্য কন্টেন্ট তৈরি করে অনলাইন পাঠদান শুরু করে। সাথে সাথে Google এর সাথে যোগাযোগ করে Google Education Suit এর ব্যবস্থা করা হয় এবং এর মাধ্যমে সকল শিক্ষার্থীর জন্য একাডেমিক ইমেইল এ্যাকাউন্ট সহ গুগল এ্যাপস গুলো বিনামূল্যে ব্যবহার করার সুযোগ পায় । এর সাথে সাথে ডেডিকেটেড ওয়েব সার্ভারে LMS পোর্টাল সেটআপ করে। লার্নিং ম্যানেজমেন্ট পোর্টাল গতানুগতিক গুগল ফরম বা অনলাইন কন্টেন্ট শেয়ারিং এর থেকে অনেক বেশি ফিচার সম্পন্ন। এখানে শিক্ষার্থী তার নিজস্ব এ্যাকাউন্ট তৈরি করে পরীক্ষায় অংশগ্রহন, পরীক্ষার ফলাফল দেখা, নিজেদের মধ্যে ও শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। সাথে সাথে প্রতি সপ্তাহের ক্লাসের স্লাইড ও ভিডিও রেকর্ডিং সুসজ্জিতভাবে সিস্টেমে থাকে যা শিক্ষার্থী যে কোন সময়ে শেখার জন্য এবং নিজের জ্ঞান যাচাই করতে ছোট ছোট টেষ্ট দিতে পারে। পুরো বিষয়টি একটি ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে করা হয় যা খুব সহজে মোববাইল বা পিসি থেকে এ্যাক্সেস করা যায়। এর পাশাপাশি এ্যাকাডেমিক ও অন্যান্য সকল কাজ অনলাইনে করার জন্য একটি এডুকেশনার ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরি করা হয়। সম্প্রতি অত্র ইনষ্টিটিউটের বৃত্তির সকল ফরম পূরন কার্যক্রম শিক্ষার্থীরা অনলাইনে সম্পন্ন করেছে। সব মিলিয়ে কোভিড-১৯ সংকটের মধ্যে ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহন করে। এর সাথে সাথে বাংলালিক মোবাইল অপারেটরের সাথে স্বল্প খরচে শিক্ষার্থীদের জন্য ডেটা প্যাকেজ সুবিধার জন্য কর্পোরেট যুক্তি করে যার ফলে শিক্ষার্থীদের স্বল্প মুল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ ক্রয় করতে পারে।

আধুনিক উপকরন দিয়ে অনলাইন ক্লাস নেয়া হচ্ছে

 

ম্যানগ্রোভ অনলাইন লার্নিং পোর্টাল এবং অনলাইন এক্সাম সিস্টেস

ম্যানগ্রোভ অনলাইন লার্নিং পোর্টাল এবং অনলাইন এক্সাম সিস্টেস

 

অফলাইনে শিক্ষর্থীদের বাড়িতে লেকচার নোট পাঠানোঃ

বাংলাদেশের আর্থসামাজিক পরিস্থিতিতে অনেক শিক্ষার্থীর স্মার্টফোন, কম্পিউটার এবং নিয়মিত ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা রাখার সামার্থ্য নেই, সাথে সাথে গ্রাম্য এলাকায় ইন্টারনেটের গতি অত্যন্ত্য দূর্বল হওয়াতে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত অনলাইনে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারছে না। এসকল শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ইনষ্টিটিউট থেকে সকল অনলাইন ক্লাসের লেকচার নোট তৈরি করে ১ম, বর্ষের সকল  শিক্ষার্থীর জন্য সকল বিষয়ের লেকচার নোট প্রিন্ট করে সবার বাড়িতে ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অত্র প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান করে এবং প্যানডেমিকরে মধ্যে বাড়িতে অধ্যয়ন করার জন্য সবাইকে বই প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সবার বাড়িতে কুরিয়ার করা হয়েছে ক্লাস নোট

 

শিক্ষার্থীদের বাড়তি সময়ের টিউশন ফি মওকুফঃ

করোনা মহামারীর কারনে ১৪ মাসের বেশি সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাতে অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের যে বেশি সময় কোর্স সম্পন্ন করতে প্রয়োজন হবে তার টিউশন ফি নিয়ে একটি উদ্বেগ তৈরি হয়। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট থেকে প্রেস রিলিজ করে জানানো হয় যে বাড়তি সময়ের কোন ফি শিক্ষার্থীকে প্রদান করতে হবে না বরং সে তার চার বছরের সময় অনুসারে ভর্তির সময় নির্ধারিত ফি প্রদান করবে। দীর্ঘ সময় ধরে সকল শিক্ষক কর্মচারী এবং প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ব্যায় নির্বহ করার পরেও সকল আর্থিক ক্ষতি প্রতিষ্ঠান বহন করেছে। এছাড়া টিউশন ফি পরিশোধ করার ক্ষেত্রে সর্বাধিক নমনীয়তা দেখানো হয়েছে।

 কলেজ লাইব্রেরী থেকে বিনামূল্যে বই সরবারহ

 

দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য দৈনিক ভাতা সহ ইন্টর্নশীপের ব্যবস্থা করাঃ

করোনা মহামারীর মধ্যে অনেক শিক্ষার্থী পারিবরিকভাবে আর্থিক সংকটে পতিত হয়েছে। এসকল শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিউট শিক্ষার্থীদের কলেজ ক্যাম্পাসে পরিচালিত প্রোডাকশন সিস্টেমে দৈনিক ১০০ টাকা ভাতা সহ বিনামূল্যে ইন্টার্নশীপ এবং ৩ মাস ইনন্টার্নশীপ শেষে যথাযথ বেতনে খন্ডকালীন চাকুরীর ব্যবস্থা করে দিয়েছে। এর ফলে চরম আর্থিক সংকেট সহ নানাবিধ সমস্যায় পতিত শিক্ষার্থীরা করোনার এই দুঃসময়ে সংকুচিত চাকুরীর বাজারে কলেজে থেকে বড় একটি সাপোর্ট পেয়েছে।

ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা দৈনিক ভাতা সহ ইন্টার্নশীপ করছে কোন প্রকল্প ছাড়া সরাসরি কলেজের উদ্যোগে।

দক্ষ শিক্ষার্থী পাচ্ছে কলেজেই ভাল বেতনে চাকুরীর সুবিধা

ক্যাম্পাসে বসেই ইন্ডাষ্ট্রিতে ব্যবহৃদ মেশিনে কাজ শেখা

 

সকল শিক্ষক, কর্মচারীকে শতভাগ বেতনে চাকুরীতে বহাল রাখাঃ

মহামারীর মধ্যে ব্যয় সংকোচনের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাটাই বা বেতন কমানো সহ নানাবিধ ব্যবস্থা গ্রহন করেছে। কিন্তু ম্যনগ্রোভ ইনষ্টিটিউট এখানকার সকল শিক্ষক, কর্মচারীকে শতভাগ বেতন বিবেচনা করে চাকুরীতে বহাল রেখেছে। কেননা হঠাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত হলে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের নতুন করে যুক্ত করা অনেক সময় সাপেক্ষ এবং কঠিন কাজ যার ফলে শিক্ষার্থীরা বড় ক্ষতির সম্মুখীন হবে। শিক্ষার্থীর অনলাইন ক্লাস , মানসকি সাপোর্ট, বৃত্তি, পরীক্ষা ও দাফতরিক কাজের যাবতীয় বিষয় এবং মানবিক বিষয়ে বিবেচনা করে ম্যাগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে সকল শিক্ষক ও কর্মচারীরা স্ব স্ব পদে বহাল আছেন এবং ক্যাম্পাসে এসে বা বাড়িতে থেকে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিয়ে যাচ্ছেন।

মহামারীর মধ্যে ইনষ্টিউটের সকল শিক্ষক কর্মচারীরা শতভাগ বেতনে চাকুরীতে বহাল

 

শিক্ষার্থীদের সাথে ভার্চুয়াল কাউন্সেলিং ও নানবিধ ভার্চুয়াল সাপোর্টঃ

মহামারীর শুরু থেকে শিক্ষার্থীদের মনোবল ধরে রাখা, তাদের বিভিন্ন বিষয়ে সাপোর্ট দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগ এবং ম্যানজেমেন্ট থেকে ভার্চুয়াল মিটিং, কাউন্সেলিং, ওরিয়েন্টেশন এবং ওয়ার্কশপের ব্যবস্থা করা হয়েছে যা শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সাথে যুক্ত থাকা এবং মনোবল বৃদ্ধিতে সহায়ক ছিল। এছাড়া দূর থেকে শিক্ষার্থীদের সনদ, মার্কশীট পাবার জন্য অনলাইনে স্ক্যান করে পাঠানোর মত চমৎকার সেবার ব্যবস্থা করেছে।

শিক্ষার্থীদের ভার্চুয়াল সাপোর্ট ও শিক্ষকদের অনলাইন ক্লাসের প্রশিক্ষন

 

ক্যাম্পাসে ৬ স্তর বিষিষ্ট কোভিড সাস্থ্য নিরাপত্তা স্তরঃ

করোনা মাহামারী প্রতিরোধের অন্যতম একটি উপায় হল যথাযথ সাস্থ্য বিধি মেনে চলা। মহামারীর শুরু থেকে ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পথে ডিসইনফেকশন টানেল, একসাথে অনেক মানুষের হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, ইউভি লাইট দিয়ে বহনযোগ্য জিসিস ডিজইনফেকটেড করা, অবশ্যই মাস্ক পরিধান করে ক্যাম্পাসে প্রবেশ, নির্দিষ্ট সময় পর পর সকল স্থাপনা জীবানুমুক্ত করন এবং ডিজইনফেকশ ফগ মেশিনের মাধ্য ক্যাম্পাস জীবানুমুক্ত রাখার  ৬ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করেছে। ফলে ক্যম্পাসে পরীক্ষা ও দাফতরিক কাজে আসা সকলেই করোনা ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকবে। এছাড়া সম্প্রতি ইনষ্টিটিউটের সকলকে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ দেয়া হয়েছে যা পরবর্তিতে ক্যাম্পাসে সরাসরি ক্লাস চালু করার জন্য অত্যন্ত জরুরী।

ক্যাম্পাসে কোভিড সাস্থ্য বিধি সংক্রান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা

 

কোভিড-১৯ মহামারী একটি বৈশ্বিক সমস্যা, বিশ্বের প্রতিটি দেশ এই মহামারীতে বিধ্বস্ত। সকল মানুষকে মিলেই কাধে কাধ মিলিয়ে এই মহামারী মোকাবেলা করতে হবে। সবার প্রচেষ্টায় নিশ্চই আবার নতুন ভোর আসবে। মহামারীরে সময় জুড়ে ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি শিক্ষার্থীদের জন্য অসাধরন সব উদ্যোগ গ্রহন করেছে। অত্র ইনষ্টিটিউটের শিক্ষার্থীরাও এই মহামারীর মধ্যে দায়ীত্বশীল থেকেছে এবং ক্যাম্পাস বন্ধ থাকার পরেও তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালু রেখেছে। মহামারীর মধ্যেও ইনষ্টিটিউটে স্থাপন করা হয়েছে বড় আকারের বেশ কয়েকটি ওয়ার্কশপ যা উৎপাদনমুখী কাজের উপযোগী। ম্যানগ্রোভ বন যেমন প্রতিকুল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে, তেমনি ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট মনে করে তারা প্রতিকুল পরিবেশেও শিক্ষার্থীদের সেবা দেয়ার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করছে এবং প্রতিকুলতা মোকাবেলায় সক্ষম একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on "কোভিড-১৯ সংকটের মাধ্যেও ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের অসাধারন সব উদ্যোগ"

  1. Sanjana says:

    Mangrove is best. I love mangrove.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © polytechnicbarta.com
Theme Customized BY LatestNews