1. news.polytechnicbarta@gmail.com : admin :
  2. contact.mdrakib@gmail.com : Rakib Howlader : Rakib Howlader
  3. tanjid.fmphs@gmail.com : Tanjid : Tanjid
শিক্ষা ঋণ চালুর কথা ভাবছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী - পলিটেকনিক বার্তা
মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ

শিক্ষা ঋণ চালুর কথা ভাবছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪৫৭ বার পঠিত

শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম সহজ করতে সরকার শিক্ষাঋণ চালুর কথা ভাবছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শনিবার ব্যবসায়ীদের সংগঠন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক অনলাইন সেমিনারে (ওয়েবিনার) তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সহজে শিক্ষা চালিয়ে নিতে শিক্ষা ঋণ দেওয়া যেতে পারে। আমি সংসদে এ কথা বলেছি, প্রধানমন্ত্রী মাথা নেড়ে সম্মতিও জানিয়েছেন। আমরা এখন থেকে শিক্ষা ঋণ দেওয়ার কথা ভাববো। যেখানে যতটুকু প্রয়োজন আছে, শিক্ষার্থীরা যাতে তা মেটাতে পারেন। তারা যেন বৈষম্যের শিকার না হয়।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সহজে শিক্ষা চালিয়ে নিতে শিক্ষা ঋণ দেওয়া যেতে পারে। আমি সংসদে এ কথা বলেছি, প্রধানমন্ত্রী মাথা নেড়ে সম্মতিও জানিয়েছেন। আমরা এখন থেকে শিক্ষা ঋণ দেওয়ার কথা ভাববো। যেখানে যতটুকু প্রয়োজন আছে, শিক্ষার্থীরা যাতে তা মেটাতে পারেন। তারা যেন বৈষম্যের শিকার না হয়।

‘ই-লার্নিং’ শীর্ষক ওয়েবিনার সঞ্চালনা করেন ডিসিসিআই সভাপতি শামস মাহমুদ। এতে শিক্ষাবিদ ও এ খাতের বিশেষজ্ঞরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাজ্যের ‘ইউনির্ভাসিটি অব সারে’ এর উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ওসামা খান।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা দেশের শিক্ষাকার্যক্রমে ই-লার্নিংকে আরো কার্যকরভাবে চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন, পাঠ্যক্রমের বিষয়বস্তুর যুগোপযোগী করা, স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদানের উপর গুরুত্ব দেন।

এ প্রসঙ্গে দেশে বর্তমানের মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের উচ্চমূল্যের ইস্যুটি তোলেন ডিসিসিআই সভাপতি। তিনি বলেন, মোবাইলের ডাটা প্যাকের উচ্চমূল্য প্রান্তিক মানুষের ইন্টারনেট সেবা প্রাপ্তিতে বড় বাধা। তিনি বলেন, অর্গানাইজেশন ফর ইকোনোমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টভুক্ত (ওইসিডি) দেশগুলোতে কারিগরি শিক্ষায় গড় অংশগ্রহণের হার ৪৫ শতাংশের উপরে, সেখানে বাংলাদেশে ১৫ শতাংশেরও কম। এমতাবস্থায় কারিগরি শিক্ষায় অংশগ্রহণ এবং আগ্রহ বাড়াতে একে সহজলভ্য করা প্রয়োজন। এজন্য ই-লার্নিং প্রয়োজন।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা নীতিতে ই-লার্নিং কার্যক্রমকে আরো গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, এদেশের মানুষ অত্যন্ত প্রযুক্তিবান্ধব। যার কারণে বিশেষ করে শিক্ষাকার্যক্রমে ই-লার্নিং-এর ব্যবহার বৃদ্ধিতে আমাদের জন্য খুব বেশি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে না।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের বর্তমান শিক্ষানীতি ২০১০ সালে প্রণয়ন করা হয়েছে, সেটাকে যুগোপোযোগী করা এবং সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর রশিদ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কারম্যান জেড লামাংনা, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. মুরাদ হোসেন মোল্লা, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটির ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. খাজা ইফতেখার উদ্দিন আহমদ, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং অ্যান্ড ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইশতিয়াক আজিম, ডিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি এন কে এ মবিন প্রমুখ।

সূত্রঃ ইত্তেফাক

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © polytechnicbarta.com
Theme Customized BY LatestNews