1. news.polytechnicbarta@gmail.com : admin :
  2. mdrakibbpi@gmail.com : Rakib Howlader : Rakib Howlader
  3. tanjid.fmphs@gmail.com : Tanjid : Tanjid
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস নিয়ে প্রাথমিক ধারনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন আজ সংবাদ সম্মেলনে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এর সাক্ষাৎকার পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ছে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত! স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পলিটেকনিকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু মৃত ব্যক্তির জন্য জীবিতদের যে আমল করতে বলে ইসলাম কারিগরি শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের চূড়ান্ত গ্রেডেশন তালিকা প্রকাশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে হবে না এইচএসসি পরীক্ষা এমপিওভুক্ত হচ্ছেন বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আরও ২৪১ শিক্ষক

অধিক গুরুত্ত্বে কারিগরি শিক্ষা ইমেজ সংকটে | ইয়াছির আরাফাত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০
  • ৪৫৬ বার পঠিত

দেশের বেকারত্ব ঘোচাতে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। এই কথাটির সাথে সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যমত। সরকারও তাই কারিগরি শিক্ষার প্রতি বেশ গুরুত্বারোপ করেছে। ২০২০ সালের ভিতর ২০ শতাংশ এবং ২০৩০ সালের ভিতর কারিগরি শিক্ষার হার ৩০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার ধারাবাহিকতায় উপজেলা পর্যায়ে নতুন ৩২৯ টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনের অনুমোদন এ বছরের জানুয়ারি মাসে একনেকে পাশ করা হয়। চলমান ইনস্টিটিউট গুলোতে শিক্ষক সংকট, ল্যাব ও যন্ত্রাংশের সংকট সহ বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। তথাপি এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছিলাম। কারণ তখন ধারণা ছিলো কারিগরি সেক্টরে যেহেতু সুনজর পড়েছে, দেশের কর্তাব্যক্তিদের ভাবনা সমৃদ্ধ হয়েছে সেহেতু এসব সমস্যা আর বেশিদিন স্থায়ী হবে না।

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করার পর চাকরির ক্ষেত্রে ১০ম গ্রেড তথা ২য় শ্রেণীর সুবিধা পাওয়া যায়। চাকরি বা কর্মসংস্থানের জন্য তুলনামূলক প্রতিযোগিতা কম এবং দেশের শ্রমবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অভিভাবক মহলেও কারিগরি শিক্ষার প্রতি আগ্রহ দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। কিন্তু কোন কারণে এই গতি থমকে যাবে না তো? সাধারণ মানুষের কাছে এই গ্রহনযোগ্যতা স্থায়ী হবে তো? আমার এমন ভাবনার পিছনের কারণ গতকাল অর্থাৎ ০১ জুলাই দেশের জাতীয় পত্রিকা গুলোতে প্রকাশিত খবর। যেখানে বলা হয়েছে পলিটেকনিকে ভর্তির বয়স সীমা থাকছে না। ভর্তিতে নূন্যতম যোগ্যতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৩.৫ থেকে কমিয়ে ২.৫ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৩.০০ থেকে কমিয়ে ২.২৫ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিদেশ ফেরত দক্ষ কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক বা একাডেমিক স্বীকৃতি দেয়ার জন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না।

পূর্বে মসজিদ ভিত্তিক গণশিক্ষা কার্যক্রম দেখেছি, আর এখন হয়তো দেখতে হবে পলিটেকনিক ভিত্তিক বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রম। আমি বলি এমন কতজন আছে যে তারা বিদেশ থেকে ফিরে এসে আবার একাডেমিক পড়া লেখা শুরু করতে পারে? এর সুনির্দিষ্ট কোন জরিপ আছে কি? দীর্ঘদিন পড়ালেখার বাহিরে থাকার পর ৪ বছরের একাডেমিক কোর্স করার মতো ধৈর্য্য বা সামর্থ্য তাদের থাকবে কি? কারিগরি ও সমাজ সেবা অধিদপ্তরের অধীনে বিভিন্ন মেয়াদের ট্রেড কোর্স গুলো কি জন্য চালু করা আছে? কিংবা তাদের জন্য কি আলাদা কোন ব্যবস্থা করা যেতো না? আবার ভর্তির যোগ্যতার জন্য জিপিএ কে টেনে নিয়ে আসতে চাচ্ছেন বর্ডার লেভেলে। তাহলে কি নিম্নস্তরের মেধাবী দ্বারা কোটা পূরণ করে কারিগরি শিক্ষার হার বৃদ্ধি করার চেষ্টা বললে কোন ভুল হবে? এসবের কারণ খুঁজে ফিরছি। সাধারণ মানুষ কারিগরি শিক্ষামুখী হওয়া বাদ দিয়ে যাতে করে নাক সিটকাতে বা ট্রল করতে পারে সে ব্যবস্থা করা হয় নি তো? যুগান্তর পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে “সব বয়সীদের ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির সুযোগ”। প্রথম আলো লিখেছে “পলিটেকনিকে ভর্তিতে বয়সের বাধা উঠছে, শিথিল হচ্ছে যোগ্যতা”। এছাড়াও অন্যান্য বিভিন্ন মিডিয়ায় নানান রংয়ের খবর। হয়তো কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্য ভালো ছিলো কিন্তু এই ভালো করতে গিয়ে হীতে বিপরীত হতে পারে এমন ভাবনাও সাথে থাকার প্রয়োজন ছিলো।

কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন কর্মী হিসেবে আমি এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক অনুরোধ করছি এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য। এমন কিছু করবেন না যাতে মেধাবীরা মুখ ফিরিয়ে নেয়। দীর্ঘদিন ধরে অর্জিত কারিগরি শিক্ষার ইমেজকে নষ্ট হতে দিবেন না দয়াকরে। যেকোন মূল্যে সংখ্যা বৃদ্ধি যদি মূল লক্ষ্য হয় তাহলে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গুলোও বেকার তৈরীর স্বীকৃত কারখানা হবে এ নিয়ে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই। কাজেই বাড়তি গুরুত্ত্ব বোঝাতে গিয়ে হীতে বিপরীত হতে পারে এমন সিদ্ধান্ত পুনঃবিবেচনা করার আহবান জানাই।

লেখকঃ পরিচালক, সফটম্যাক্স অনলাইন স্কুল।
লেখকের ফেসবুক পেজ: facebook.com/arafat.sos16

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © polytechnicbarta.com
Theme Customized BY LatestNews