1. news.polytechnicbarta@gmail.com : admin :
  2. mdrakibbpi@gmail.com : Rakib Howlader : Rakib Howlader
  3. tanjid.fmphs@gmail.com : Tanjid : Tanjid
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ

ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি, মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা গ্রহনের বিদ্যাপীঠ

রুহুল আমিন
  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২০
  • ৬০৩২ বার পঠিত
ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার পৃথিবীতে ধীরে ধীরে কমে আসছে রিসোর্স। যে হারে মানুষ বৃদ্ধি পাচ্ছে সে হারে নতুন কোন সম্পদ পৃথিবীতে তৈরির করার সুযোগ নেই। ( কেবল মাত্র পৃথিবীর অভ্যন্তরীন সম্পদ আহরন ও প্রাকৃতিক শক্তি মানুষের একমাত্র ভরসা । যুগে যুগে মানুষ বাস্তুচক্রে টিকে থাকার জন্য সীমিত সম্পদকে সর্বোচ্চ উপযোগ পেতে আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান , প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার প্রয়োগ করে আসছে ) একবিংশ শতাব্দি থেকে আগত সময় মানুষের জন্য চ্যালেঞ্জিং। এখনকার সময়ে মানুষের এই বসতিতে টিকে থাকার প্রথম শর্ত অত্যাধুনকি প্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষ। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর দিকে দৃষ্টি ঘোরালে দেখা যাবে তারা প্রত্যেকে নিজেদের উন্নতির দিকে ধাবিত করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে। জ্ঞান বিজ্ঞানে উন্নতি লাভে করার সাথে সাথে দেশের জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রুপান্তর করার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন ও উন্নত ভবিষ্যত নিশ্চিত করা সম্ভব। বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম পরাশক্তি চীনের বর্তমান অবস্থানের পেছনে অন্যতম ভূমিকা ছিল শিল্পায়নের, চীনকে বলা হয় “ফ্যাক্টরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড”। এবং এক্ষেত্রে অন্যতম ভূমিকা রেখেছে বিশেষ বিশেষ কাজে পারদর্শী দক্ষ কর্মীরা জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে বাংলাদেশে বিশ্বের ৫ম অবস্থানে এবং ১ কোটির অধিক জনসংখ্যার বসবাস যে সকল দেশে তাদের মধ্যে সর্বাধিক ঘনবসতি পূর্ন দেশ। এ দেশে মানুষের মাথাপিছু ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সাধারনত অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় অতি নগন্য পরিমান। সুতরাং বাংলাদেশেকে উন্নত দেশে রুপান্তরিত হতে গেলে একমাত্র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও বিপুল পরিমান জনগোষ্ঠিকে মানব সম্পদে রুপান্তরিত করতে হবে। বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব ডেভলপমেন্ট ষ্টাডিজ এর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে ২০১৩ সালে পর্যন্ত বাংলাদেশের শ্রমশক্তির মাত্র ১০.৪০% দক্ষ এবং প্রায় ৯০% অদক্ষ শ্রমিক।
অথচ ২০১০ সালে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের চাহিদা হবে ৭২.৪১ মিলিয়ন। দক্ষতা উন্নয়নের বর্তমান পদক্ষেপের পরেও ২০২০ সালে ৭৫% শ্রমশক্তি অদক্ষ থাকবে। বাংলাদেশে যে প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে তা বিপুল পরিমানে মানুষের জন্য অপ্রতুল তার সাথে রয়েছে দুর্যোগ প্রবনতা ও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ঝুকি। সব মিলিয়ে এ দেশের বর্তমান উন্নয়নের ধারা ক্রমবর্ধমান রাখতে হলে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি, শিল্পায়ন, তৈরি পোষাক শিল্প, বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি এই চারটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে গুরুত্বআরোপ করতে হবে। এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে টেকসই অবস্থানে পৌছানোর জন্য প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি। সম্প্রতি সরকার শ্রমশক্তির কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি করে তাদের মানব সম্পদে রুপান্তর করার জন্য নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহন করেছে এবং ২০২০ সালের মধ্যে মোট শিক্ষার্থীদের ২০% কারিগরি শিক্ষা গ্রহনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করেছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদফ্তরের তথ্য মতে ২০১৫ সালে কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির পরিমান ছিল ১৫.৭০% যা ২০১৬ সালে কমে হয়েছে ১৫%। অর্থাৎ নানাবিধ কারনে শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষামূখী করা যাচ্ছেনা। মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা নিশ্চিত না করা, শিক্ষা শেষে কর্মসংস্থানের যোগদানে সমস্যা, সামাজিক অসচেতনতা ও গতানুগতিক সনদ নির্ভর উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের প্রবনতার ফলে সরকারি নানাবিধ উদ্যোগের পরেও কাংক্ষিত হারে কারিগরি শিক্ষা গ্রহন করা শিক্ষর্থীর পরিমান না বাড়ার অন্যতম কারন। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭% এবং ২০২০ সালে দেশের মোট জনসংখ্যা ১৭ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। অল্প ভূখন্ডের একটি দেশে এই বিপুল পরিমানে জনসংখ্যা উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে কর্মক্ষম প্রতিটি মানুষকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলে কাজে লাগানো ছাড়া অন্য কোন বিকল্প নেই। সুতরাং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ অর্জনের জন্য লিঙ্গ বৈষম্য ছাড়া নারী পুরুষ সবাইকে দক্ষ মানব সম্পদে রুপান্তর করাই অগ্রগন্য করনীয়।

দেশের বিপুল পরিমান শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করে কর্মসংস্থানে যেতে পারছে না চাকুরীর বাজারের সাথে সমন্বয়হীন শিক্ষা ও দক্ষতার অভাবে। চাকুরীর বাজারে মোট চাহিদার ৩০% জনবল দরকার সাধারন শিক্ষায় শিক্ষিত, ৩৫% জনবল দরকার বিভিন্ন স্তরে কারিগরি দক্ষতা সম্পন্ন এবং ৩৫% জনবল প্রয়োজন শ্রমিক। অথচ দেশের ৮৫% শিক্ষার্থী সাধারন শিক্ষা গ্রহন করছে এবং মাত্র ১৫% করছে কারিগরি শিক্ষা। এমনকি বাংলাদেশের যে বিপুল পরিমান মানুষ বিদেশে কাজ করে তাদের মধ্যেও কারিগরি কাজে দক্ষতার অভাবে তারা কময় আয় করছে। বাংলাদেশে সহ সমগ্র পৃথিবীর চাকুরীর বাজারে কারিগরি ও হাতেকলমে কাজ জানা মানুষের জন্য ডিমান্ড তৈরি হচ্ছে। সুতরাং বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জোর দিতে হবে কারিগরি শিক্ষার দিকে। বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড পরিচালিত এসএসসি পাশের পরে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং একটি যুগপোযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা। এসএসসি পাশের পরে মাত্র ৪ বছর পড়াশুনা করে সরকারি ২য় শ্রেনীর চাকুরীর সুযোগ রয়েছে যার বেতন শুরু হয় সরকারি ১০ম গ্রেডে ২৯০০০ টাকায়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এবং ক্রমবর্ধমান শিল্প কলকারখানায় দক্ষ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে দেশে ৪৯টি সরকারি পলিটেকনিক ও প্রায় ৫০০ বেসরকারি পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট রয়েছে। সরকারি পলিটেকনিকে প্রতি বছর মাত্র ৫৭০০০ শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ যা এসএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীদের তুলনায় অপ্রতুল, এসকল কারনে সরকার কারিগরি শিক্ষা বিস্তারে শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তিদের নির্দিষ্ট নিয়ম নীতিমালা মানার শর্তে বেসরকারি পলিটেকনিক স্থাপনের অনুমোদন দিয়ে থাকেন।

ইনষ্টিটিউটের নিজস্ব ক্যাম্পাস

দেশের ৩য় বৃহত্তম বিভাগ খুলনাতে, শহরের প্রানকেনন্দ্রে স্থাপিত ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড অনুমোদিত একটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট যার কারিগরি বোর্ড কোড ৩৫০৬৬। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট ২০০৫ সালের ২৬জুন কারিগরি বোর্ডের অনুমোদন নিয়ে ২টি টেকনোলজিতে ৫৩ জন শিক্ষার্থী নিয়ে মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা বিস্তারে কাজ শুরু করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১৫টি টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম ও অন্যান্য স্বল্প মেয়াদী কোর্স মিলে মোট ৩০০০ শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করছে এবং দেশের সকল বেসরকারি পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটগুলোর মধ্যে সেরা প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে নিজের স্থান করে নিয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইমপেরিয়াল কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং নামে একটি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং স্তরের কলেজ চালু করে। এছাড়া ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট CBTA নির্ভর আন্তর্জাতিক মানের কারিগরি শিক্ষা প্রদানে সক্ষম RTO। সম্প্রতি ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (NSDA) এর নিবন্ধন পাবার অনুমোদন লাভ করেছে।


ইনষ্টিটিউটের নিজস্ব ক্যাম্পাস

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা মোতাবেক স্থাপনের ৫ বছরের মধ্যে বেসরকারি পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটকে নিজস্ব ক্যাম্পাসে পরিচালনা করতে হয়। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট এর প্রতিষ্ঠার ৪ বছরের মধ্যে ২০০৯ সালে খুলনা বিভাগীয় শেখ আবু নাসের ষ্টেডিয়ামের বিপরীতে বৈকালিতে নিজস্ব ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি একটি ১০ তলা ভবন, একটি ৫ তলা ভবন ও একটি ওয়ার্কশপ মিলে ৬২০০০ বর্গফুট বিল্ডিং স্পেসে একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ইনষ্টিটিউটের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় রয়েছে ৬টি হোষ্টেল ভবন যেখানে ৬০০ জন ছেলে ও ৫০ জন মেয়েদের পৃথক আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। একাডেমিক ভবন ও হোষ্টেল মিলে ম্যানগ্রোভ ইনষ্টটিউট বর্তমানে ১ লক্ষ ৪০ হাজার বর্গফুট বিল্ডিং স্পেসে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের ক্যাম্পাসে রয়েছে আধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা, যেমন শিক্ষার্থীরে জন্য শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক ক্যাফেটেরিয়া, মনোরম লবি, অডিটোরিয়াম, মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম, শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুকি ল্যাব-ওয়ার্কশপ, ছেলে-মেয়েদের পৃথক কমন রুম, বিভিন্ন ক্লব এ্যাক্টিভিটির জন্য আলাদা কক্ষ, শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত লাইব্রেরী, বিশু্দ্ধ খাবার পানি সরবারহ ও ১০০ এমবিপিএস উচ্চগতি সম্পন্ন ফ্রি ওয়াইফাই ইন্টারনেট। ক্যাম্পাসে দুটি ব্যাকআপ জেনারেটরের মাধ্যমে সার্বক্ষনিক নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। ১২০ টির বেশি নেট সার্ভাইলেন্স ক্যামেরা নিয়ন্ত্রিত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট এর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কোয়ালিটি এ্যডুকেশন দেয়ার সর্বাত্নক চেষ্টা করেছে যার ফলে ইনষ্টিটিউটের ১৩টি ব্যাচের অনেক শিক্ষার্থীরা প্রায় প্রতিটি বোর্ড ফলাফলে এখান থেকে পাশ করে বের হওয়া মেধা তালিকায় স্থান করেছে। সর্বশেষ প্রকাশিত কারিগরি বোর্ড রেজাল্টে কারিগরি বোর্ড এর ফলাফলে বেসরকারি পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাল ফলাফল করেছে এবং সর্বদা দক্ষিণাঞ্চলের বেসরকারি পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটের কলেজ সমূহের মধ্যে সেরা ফলাফল করে। ইনষ্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের ভাল ফলাফল করার পেছনে রয়েছে এখানকার নিবিড় পর্যাবেক্ষন, শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বয় ও টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট পলিসি। প্রতি বছর ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে শিক্ষার্থীরা DUET, BTEC সহ বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তির সুযোগ পেয়ে থাকে।

প্রকৃত হাতেকলমে শিক্ষার নিশ্চিত করতে একটি প্রতিষ্ঠানে ব্যাবহারিক কাজ শেখানোর জন্য প্রয়োজন উন্নত ল্যাবরেটরি ও ওয়ার্কশপ। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে বর্তমানে রয়েছে শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত ৩০ টি আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতির সমন্বয়ে স্থাপিত ল্যাব ও ওয়ার্কশপ। এখানে রয়েছে (১) কম্পিউটার সফটওয়্যার ল্যাব (২) কম্পিউটার এ্যাপ্লিকেশন ল্যাব (৩) কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ল্যাব (৪) কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ল্যাব (৫) ইলেকট্রিক্যাল মেশিন ল্যাব (৬) ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স সার্কিট ল্যাব (৭) কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব (৮) ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স এন্ড মাইক্রোপ্রসেসর ল্যাব (৯) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং টেষ্টিং ল্যাব (১০) সার্ভেইং ল্যাব (১১) ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রইং ল্যাব (১২) আর্কিটেকচারাল ষ্টুডিও (১৩) নিটিং এন্ড স্পিনিং ল্যাব (১৪) ইয়ার্ন এন্ড ফ্রেব্রিক ল্যাব (১৫) টেক্সটাইল টেষ্টিং এন্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাব (১৬) ওয়েট প্রসেসিং ল্যাব (১৭) সুইং ল্যাব (১৮) প্যাটার্ন মেকিং ল্যাব (১৯) গার্মেন্টস প্রিন্টিং ল্যাব (২০) ফিজিক্স ল্যাব (২১) কেমিষ্ট্রি ল্যাব (২২) মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ (২৩) ওয়েল্ডিং ওয়ার্কশপ (২৪) অটোমোটিভ/পাওয়ার ওয়ার্কশপ (২৫) আইসি ইঞ্জিন ওয়ার্কশপ (২৬) EIM ওয়ার্কশপ (২৭) প্লাম্বিং এন্ড পাইপ ফিটিং ওয়ার্কশপ (২৮) ম্যাসনারি শপ (২৯) টাইলস এন্ড মার্বেল ওয়ার্ক প্রাকটিস শপ (৩০) রোবটিক্স ল্যাব। এছাড়া ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে সিএনসি লেদ, সিএনসি মিলিং মেশিন সহ আরো ৪টি আধুনিক ল্যাব-ওয়ার্কশপ স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সর্বোচ্চ দক্ষতা অর্জন করার জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট নিশ্চত করছে।


ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের এ্যাডভান্সড কম্পিউটার ল্যাব


কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব


সার্ভেইং ল্যাব


আইসি ইঞ্জিন ওয়ার্কশপ


সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং টেষ্টিং ল্যাব


সফটওয়্যার এন্ড সিমুলেশন ল্যাব

ইনষ্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ভান্ডার সমৃদ্ধ করতে এখানে রয়েছে ১৮০০০ টেক্সট বই ও ৩০০০ রেফারেন্স বই সমৃদ্ধ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লাইব্রেরি। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের শিক্ষর্থীদের প্রতি সেমিষ্টারে ৫০% বই কলেজ থেকে বিনামূল্যে সরবারহ করা হয়। এখানকার শিক্ষার্থীদের বাড়তি কোন প্রাইভেট পড়ার প্রয়োজন নেই। ইনষ্টিটিউটের পক্ষ থেকে দূর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বাড়তি ক্লাস ও অমনোযোগী শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং ও মোটিভেশনের ব্যবস্থা করা হয়।


ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটের লাইব্রেরি

ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে একজন শিক্ষার্থীর কারিগরি ভাবে দক্ষতার পাশাপাশি তার সফট স্কিল বাড়ানোর জন্য এবং চাকুরীর বাজারের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন ইন্ডাষ্ট্রি থেকে প্রফেশনাল ব্যাক্তিদের অংশগ্রহনে সেমিনার ও ওয়র্কশপ আয়োজন করা হয়। এছাড়া ক্যাম্পাসে কয়েকটি বিষয়ে নিজস্ব উৎপাদন ব্যবস্থায় হাতেকলমে কাজ করানোর মাধ্যমে বাস্তব জ্ঞান সম্পন্ন করে গড়ে তোলা হয়। ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট থেকে যেসকল শিক্ষার্থী উদ্যোক্তা হতে চায় তাদেরকে কলেজ থেকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দিয়ে কলেজের পার্টনারশীপে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্নপ্রকাশ করার সুযোগ করে দেয়া হয়। ইতিমধ্যে দুটি এরকম ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান কলেজ ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে। এখানকার শিক্ষার্থীদের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং
পাশের পরে উচ্চ শিক্ষার জন্য ইনষ্টিটিউটের ব্যবস্থাপনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া দেশের বাইরে উচ্চ শিক্ষার গ্রহনের জন্য কলেজ থেকে সকল প্রকার সুবিধা দেয়া হয়। সম্প্রতি জাপানে সরাসরি চাকুরীর ব্যবস্থার জন্য একটি প্রতিষ্ঠানে সাথে কলেজের চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। একজন শিক্ষার্থীকে কেবল একটি সার্টিফিকেট নয় তাকে বর্তমান জব মার্কেটের জন্য প্রস্তুত করে তৈরি করা বা একজন উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি সর্বাত্নক চেষ্টা করছে।

অত্র ইনষ্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের জন্য রয়েছে নানবিধ সহ-শিক্ষা কার্যক্রম। প্রতিটি জাতীয় দিবস উদযাপন, কালচারাল ক্লাব, ডিবেট ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাব, ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব সহ নানাবিধ ভলান্টিয়ারি কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ তরান্বিত করা হয়। সম্প্রতি ইনষ্টিটিউটে রোভার স্কাউট ইউনিক সংযুক্ত করা হয়েছে। অত্র ইনষ্টিটিউটে বিভিন্ন সেমিষ্টারে কলকারখানা পরিদর্শন বাধ্যতামূলক । এছাড়া প্রজেক্ট তৈরি ও প্রেজেন্টেশন দেয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রফেশনাল হিসেবে গড়ে তোলা হয়।

ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে রয়েছে বিভিন্ন টেকনোলজি ভিত্তিক উৎপাদন সক্ষমতা ও উৎপাদন ব্যবস্থা। এসকল কাজে সরাসরি শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করে বাস্তব কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে ধারনা লাভ করে। এখানকার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি সফট স্কিলে জোর দেয়া যাতে করে তারা কর্মবাজারের সাথে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে।

কেবল একটি সার্টিফিকেট নয়, বেকারত্ব দূরীকরনে প্রকৃত হাতেকলমে কারিগরি শিক্ষা, সফট স্কিল ও অন্যান্য মানবিক গুনাবলির বিকাশ ঘটিয়ে একজন শিক্ষার্থীকে তার ক্যারিয়ারে সফলতার পথ প্রদর্শন এবং সর্বোপরি একজন ভাল মানুষ হিসেবে বাংলাদেশের সুনাগরিক তৈরি করা ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউটে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

ইনষ্টিটিউট সম্পর্কে অনলাইনে দেখতে ভিজিট করুনঃ

 

যোগাযোগঃ

ম্যানগ্রোভ ইনষ্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি, বৈকালি, খুলনা।

Cell: 01911788766, 01733371333, 01733371777, 01733372222

Web: http://www.mangroveinstitute.com/
Facebook: https://www.facebook.com/mangroveinstitute35066/

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © polytechnicbarta.com
Theme Customized BY LatestNews