1. news.polytechnicbarta@gmail.com : admin :
  2. contact.mdrakib@gmail.com : Rakib Howlader : Rakib Howlader
  3. tanjid.fmphs@gmail.com : Tanjid : Tanjid
কীভাবে বুঝবেন আপনার করোনা নাকি ডেঙ্গু? - পলিটেকনিক বার্তা
বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ডিপ্লোমার মেয়াদ ৩ বছর করার প্রতিবাদে গাজীপুরে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ৭৮ ভাগ আসনই খালি, নৈরাজ্য চলছে রেললাইন থেকে হবে বিদ্যুৎ উৎপাদন | পলিটেকনিক শিক্ষার্থী অভিনব এই কৌশল উদ্ভাবন নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানমনস্ক-প্রযুক্তিবান্ধব হবে: শিক্ষামন্ত্রী ১৮টি প্রতিষ্ঠানের চলমান নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা থেকে সারাদেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ বুয়েট শিক্ষার্থীর মৃত্যু – ১৫ বন্ধুর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ মোটরসাইকেল চালক নিহত রাত ৮টার ট্রেন ছেড়েছে সকালে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ নয়, টিকায় জোর দিতে চায় সরকার’

কীভাবে বুঝবেন আপনার করোনা নাকি ডেঙ্গু?

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০
  • ৪৯২ বার পঠিত

জ্বর আসা মানেই করোনা হয়েছে তা কিন্ত না। ডেঙ্গুর প্রকোপ এখন বাড়ছে। হতে পারে আপনার ডেঙ্গু হয়েছে। সেক্ষেত্রে কীভাবে বুঝবেন আপনার করোনা নাকি ডেঙ্গু?

এ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন শেরপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোবারক হোসাইন। বর্তমানে তিনি করোনা টেস্টের কাজের সঙ্গেও যুক্ত।

ডেঙ্গু এবং করোনার উপসর্গের রয়েছে পার্থক্য। করোনার ক্ষেত্রে রেসপিরেটরি লক্ষণ ছাড়াও জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষণ। এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে। সাধারণত শুষ্ক কাশি ও জ্বরের মাধ্যমেই শুরু হয় উপসর্গ, পরে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়। সাধারণত রোগের উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে গড়ে পাঁচ দিন সময় নেয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ভাইরাসটির ইনকিউবেশন পিরিয়ড ১৪দিন পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। তবে কিছু কিছু গবেষকের মতে এর স্থায়িত্ব ২৪ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।

কিন্তু ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে উপসর্গ আলাদা হয়ে থাকে। ডেঙ্গু এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু ভাইরাসজনিত জ্বর। মূলত, এটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের রোগ। এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়। উপসর্গগুলোরর মধ্যে রয়েছে-জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যথা এবং গাত্রচর্মে ফুসকুড়ি। দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষয়ী রূপ নিতে পারে যাকে ডেঙ্গু রক্তক্ষরী জ্বর (ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার) বলা হয়। এর ফলে রক্তপাত হয়, রক্ত অনুচক্রিকার মাত্রা কমে যায় এবং রক্ত প্লাজমার নিঃসরণ ঘটে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম দেখা দেয়। ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।

জ্বর আসলে প্রথমে আলাদা উপসর্গগুলো চিহ্নিত করতে হবে। করোনাভাইরাসে জ্বরের মাত্রা কম থাকে কিন্ত ডেঙ্গু জ্বরের মাত্রা বেশি থাকে। ডেঙ্গুতে শরীরে অনেক সময় লাল গুটি বের হলেও করোনায় এমন কিছু দেখা যায় না। ডেঙ্গুতে শরীর ব্যথা করে কিন্ত করোনার লক্ষণে এমনটা হয়না। করোনা ভাইরাসের ফলে শরীরে রক্তের প্লাটিলেট কমে না কিন্ত ডেঙ্গুতে অনেক সময় রক্তের প্লাটিলেট কমে যায়।

ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে হলে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, যেন এডিস মশা বংশবিস্তার করতে না পারে। দিনের বেলাতেও মশারি টাঙিয়ে ঘুমাতে হবে। অন্যদিকে করোনার থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে বিনা প্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে যাওয়া যাবে না। আক্রান্ত ব্যাক্তির সংস্পর্শে যাবেন না। হাঁচি, কাশির শিষ্টাচার মেনে চলতে হবে। করোনাভাইরাস একজনের কাছ থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লেও ডেঙ্গু এভাবে ছড়ায় না।

তবে করোনা অথবা ডেঙ্গু যে কোনোটিতেই আক্রান্ত হলে ভয় পাবার কারণ নেই। চিকিৎসকের পরামর্শে দুই ধরনের রোগীই সুস্থ হয়ে ওঠেন।

সূত্রঃ পূর্বপশ্চিমবিডি

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © polytechnicbarta.com
Theme Customized BY LatestNews